Follow by Email

Tuesday, November 29, 2011

Shwetpathorer Swapno

শ্বেতপাথরের স্বপ্ন 


আমি শাহ জাহানের যমুনা 
মুমতাজ এর নিরবতা, শীতল স্মৃতির আচ্ছাদন 
আমার স্রোত কে করেছে ধীর. 
চাঁদনী রাতে শ্বেতপাথরের ছায়া,
ভালবাসার প্রতিছবি, আমার সারা গায়ের উপর,
আষ্টেপিষ্টে মোড়া উষ্ণতার চাদর.
সাক্ষী আমি, অনেক রক্তপাতের 
মুঘল মসনদের অপরাধের দলিল.


করিম মিয়ার স্বপ্ন আমি, 
পাথর কেটে যার জীবন যাপন. 
গ্রীষ্মের তাপে, গামছা ভিজিয়ে 
খেজুর গাছের নিচে, এক পলক ঘুম. 
শাহ জাহানের স্বপ্ন, করিমের দিবা-নিশি 
জেগে থাকা. 


করিম মিয়া, বরই রসিক মানুষ,
পাথর কাটতে কাটতে কত কথায় না বলত. 
চানা ভাজা আর খেজুর ছিল তার সব থেকে প্রিয়!


বিশাল অট্টালিকার মাঝে, করিম মিয়ার ছোট্ট মেয়ে আলিনা,
ছুট্টে বেরাছে করিমএর সাথে,
করিমের গায়ে নতুন জামা, পায়ে নতুন জুতো,
মেহেন্দি করা চুলে, জরির টুপি. 
আরামকেদারায় করিম মিয়া একটু বিশ্রাম নিচ্ছে,
ঠিক তক্ষনই আলিনা একটা ময়ুর পালক দিয়ে,
করিম এর কানে দিল সুরসুরি! 
খিলখিলিয়ে যেই না হাঁসে করিম, অমনী এক বেতের ঘা, 
সপাট করে পড়ল! 
করিমের স্বপ্ন ভেঙ্গে গেল. 
চোখের জলে স্বপ্নের জল ছবিটা আবার কেমন যেন আবছা হয়ে গেল.
সারা রাত করিমের ঠুক ঠাক শব্দ 
আমাকে জাগিয়ে রাখত. 


বহু বছর ধরে তৈরী হলো শাহ জাহানের তাজ মহল. 
পৃথিবীর বুকে এ যেন এক পূর্নিমার চাঁদ. 
ভালবাসার মক্কা, পৃথিবীর অষ্টম আশ্চর্য. 
সুক্ষ তার কারুকার্য, 
বহুমূল্য জহরতে মোড়া, ভালবাসার মাখ-বরাহ!
কিন্তূ করিম মিয়া কোথায় ? 
ওই গামছা ভেজা, জোড়া জীর্ণ মানুষ তা কোথায় ? 
তাকে আর দেখা যাই নি. 


আমার জলের রং লাল, 
সেই সব পারদর্শী শ্রমিকের আঙ্গুল 
আমি বয়ে নিয়ে চলেছি, 
সহস্র বছর ধরে, আমার নিরবতার প্রতিবাদ. 
আঘাত দিয়ে জয় করে নিতে চেয়েছিল শাহ জাহান, 
নির্মূল করতে চেয়েছিল সৃষ্টি কর্তাদের 
পৃথিবীর বুক থেকে মুছে দিতে চেয়েছিল তাদের অস্তিত্ব.


আজ আমি জীর্ণ 
আমার স্রোত আজ ক্ষীণ,
আজ আর দেখা যায় না, তাজ মহলের প্রতিছবি.
আমি ভুলতে বসেছি সব কিছু. 
মনে নেই আমার মুমতাজএর চেহারা 
মনে নেই আমার শাহ জাহানের দাপট 
মনে নেই আমার ঔরান্গাজেবএর নাশকতা 
মনে আছে সুধু করিম মিয়ার ভেজা গামছা,
চানা আর খেজুর এর নাস্তা,
মনে আছে স্বপ্নের মধেই আলিনার ছেলেখেলার গল্প,
মনে আছে, মধ্য রাতের ক্রন্ধন,
মনে আছে, ছেনির ঠুক ঠাক!


আমি জানি, এই তাজ মহল করিম মিয়ার 
আমি জানি, এই যমুনার তীরে 
কোনো এক খেজুর গাছের নিচে 
বৃদ্ধ করিম স্বপ্ন দেখছে!


- রাম কমল

Wednesday, September 28, 2011

Dugga Pujo - Bengali Poem

দুগ্গা পুজো 

আগমনী বার্তা এলো 
আকাশ জুড়ে আলোর খেলা 
দুগ্গা ঠাকুর আসবে বলে 
সবুজ ঘাসে মজার মেলা 
নতুন জামা, নতুন জুতো,
পুজোর ভিড়ে বেদম গুতো.

মাটির মায়ের মাটির মানুষ 
দুঃখ, জ্বালা হাউই ফানুস 
ঢাকের ওপর পড়বে কাঠি 
বাজবে কাসর ঘন্টা, 
খিলখিলিয়ে হাঁসব সবাই 
শুনব বিজয় ধংকা.

মহিষাসুর মরবে আবার,
মরবে সকল জরা,
শিউলি ফুলের গন্ধে ভাসে,
সকল জগত সারা. 
নাচব আমি নাচবে তুমি, 
নাচব ঢাকের ছন্দে,
করব সবাই মস্তি মজা 
মাতব যে আনন্দে. 

চপ, কচুরি, ফুচকা লুচি 
থাকবে সবই লিস্ট-এ 
চাউমিন আর চিল্লি চিচ্কেন 
প্রধান হবে ফিস্ট-এ.
সপ্তমী তে ঠাকুর দেখা, 
অস্তমি তে গরম ভোগ. 
নবমী তে মাংস কষা; 
দশমী তে রাজার ভোজ.

বিজয়া তে বিষন্ন মন 
দুগ্গা যাবে ফিরে, 
আসবে আবার বছর ঘুরে 
আনন্দলোক ঘিরে. 
ঢাকের তালে নাচব আবার,
বাজবে কাসর ঘন্টা, 
দশভূজার আহবানে 
শুদ্ধ হবে মনটা. 

Safar - Hindi poem

सदियों से चल रहा हूँ

उमीदों की राह में,


दुआओं में गा रहा हूँ


पनाह दो अपनी पनाह में.


राह के पत्थरों से कर ली


मैंने अपनी दोस्ती,


उलझनों में बहती जाती


उम्मीदों की कश्ती.


नयी शाखाओं में देखा,


हरियाली का दास्ताँ.


उलझनों में उलझ गयी है


मेरे मन की रास्ता.


छोटे छोटे छज्जो पे,


नयी धुप की छाओं है.


दूर किसी नदी में बहेती,


कश्माशों की नाव है.


लोथल पोथल लहरों में,


चंचल मन की नीव है,


मुश्किलों के करवटों में,


साहिलों का नीड है.


कदमो की आहटों को सुनती


मैं चला जाता हूँ


बेजुबान भीर में


गीत गुनगुनाता हूँ.


सदियों से चल रहा हूँ में


उमीदों की राह में


कोई नहीं तो खुद ही सही


सुनसान इस सफ़र में.


विश्वास की जड़ को मन मैं लिए


अग्निपथ पे चला जाता हूँ,


हर इंसान की मुस्कुराहटों में,


आज भी, सच्चाई देख पाता हूँ.

Tuesday, September 27, 2011

Tarpan - In the name of departed soul


Today is Mahalaya.
This day is considered as one of the most auspicious day in Hindu calender. The day marks the end of 'pitri paksh' and beginning of 'devi paksh'. On this day, people pray for the departed soul of their parents. This ritual is predominant in eastern part of India, precisely in Bengal and Orissa. This ritual is popularly known as "Tarpan".
Across the Hindu religion it is believed that after death, the soul incarnates into a new form and embodies as animal, bird, reptile, human or any other form depending on the Karmas (deeds) in one’s past life. Thus, as one’s ancestors would have attained a new form after death, many people believe that why is Pitr-Puja necessary. It is obligatory in Hindu tradition.

As according to Bhagwad Gita : "Just as one removes old clothes and puts on new ones, so does the Jivatma abandon an old body and obtain a new one"
Thus, it is only the house and body that the soul changes, but whatever we as children are indebted to our ancestors should be repaid, because the soul never dies. The pitr-puja performed by the sons and grandchildren in memory of their ancestors, is preceded with the thought that: "O Pitrs in whichever form you may be, wherever you may be, we wish to remember and pray for your peace and welfare".
I lost my dad, two years ago. The first year, somehow I didn't feel like doing 'Tarpan', I don't know why, but I skipped the ritual. I guess, it took time for me to believe that he is no more with me. I mentally refused to do anything that would kill my faith, that he is dead. I was behaving like a child. I guess, every child is a child when it comes to their own parents. I remember, as a kid, my Baba would obediently follow all the rituals and pray for my grandfather's soul. As kids, we used to hardly understand the significance of this day. For us, it used to be Durga Puja countdown. We would think of holidays, puja shopping, pandal hopping and eating out at various food joints. The importance of puja or tarpan donned on me, much later.
As a kid, I would see my Baba getting ready before sunrise on the day of Mahalaya. He would drape a white dhoti, wear a white kurta and a new "poite" (sacred thread). He would take a holy dip, in the ghats of Ganges and then pray for his father and grandfather's soul. While coming back, he would bring piping hot samosas (shingaras) kachoris, alu rasa, sandesh for everyone at home. That day, we would have traditional breakfast.
The morning would start early on the day of Mahalaya. Baba would wake up around 4 am, and wake me and my brother from deep sleep. He would switch on the radio, while my Ma would be fast asleep. She would hear the radio from her bed, half-asleep. We would hear the immortal voice of BirendraKrishna Bhadro, reciting Sri Sri Chandi. Frankly speaking, the thought of it gives me goosebumps even today. His recitation would create an ambiance which would filter all sorts of negativity around us. The air would get purified with his crystal clear voice. We would stare at the radio and imagine the visuals of Goddess Durga fighting the demons and killing Mahisasura with Trishul (Pointed Weapon). Those were my early childhood days.
Few years later when we had a television set (black and white, of course), and Doordarshan started showing 'Mahisasurmardini' on the day of Mahalaya. The show would start immediately after the radio transmission of BirendraKrishna Bhadro's show. Baba would switch the TV on, and meanwhile we had to brush our teeth, take a shower and get ready for the puja. This used to be our regular ritual on the day of Mahalaya.
Baba practiced this ritual till his last year. He stopped visiting Ganges, after his first heart attack. Doctor's advised him to be careful. The cold river water was not advisable for a heart patient. But he would still pray for his forefathers on the day of Mahalaya. He would take an early morning bath, and execute the entire procedure in our puja room. I have seen such discipline in him, which I don't have. I don't think, I will ever be able to match up to his dedication and honesty.
Baba is no more. I am staying in Mumbai, with my wife. It's going to be a decade, since I have moved out from Kolkata. Now I am working in a film production company. We don't have holidays on Mahalaya and Durga Puja. In fact, very few people in this state observe this day as "father's day". Living in this city, has rubbed some influence in me, too. But somehow, this year, I felt that I must pray for my father's soul. I don't know why, I had his urge from within.
It was a sheer coincidence that a dear friend of mine, mentioned that I should pray for my father. She mentioned that, on this day, the soul returns to bless their sons and daughters. I argued with her, saying that does this really matter? Well, I guess it matters.
I don't know the procedure of 'tarpan' but I did what my heart said. I offered him sweets, til, flowers and diya. I prayed for him, I prayed for his soul and peace. While praying for him, I was remembering those lovely memories from childhood. I had a lump in my throat. Eyes moist, I thought about him, with my eyes shut. I realized that he is no more with me, physically. I realized that, I have replaced him, it's my turn to pay tribute to my forefathers. I remembered, how smartly he taught me with his own deeds. How he wanted me to follow, the tradition of 'tarpan'. He never forced anything on me, still with his own discipline, he. managed to teach all of us, a lesson.
I know, he is around. I know, he is seeing me from the clouds. I know, he is happy, wherever he is.
But the vacuum that is created by his absence, shall remain empty. We realize the worth of a person when he is not around. Such is life, and such is love for our parents.
Love you Baba. Bhalo theko.









Friday, September 9, 2011

Banchiye Rakhe - Bengali Poem


বাঁচিয়ে রাখে...

অনিশ্চিয়তা আমাকে কুঁড়ে কুঁড়ে খায়ে,
আমার প্রতিটি দিন যেন সহস্র বছর 
বন্ধ দরজা, উন্মুক্ত আকাশের লালসা 
আমাকে বাঁচিয়ে রাখে. 
পাহাড়ের গা ঘেষে এক ফালি মেঘ,
শিশির বিন্দুর কানাকানি.
ডাক টিকিটের বন্ধ খাম,
আমাকে বাঁচিয়ে রাখে. 

জীবিকার জীর্ণ রাস্তা,
অনিশ্চিয়তার রাজপ্রাসাদে 
একাকিত্বের মসনদে, নকল রাজা!
আকাঙ্খার ধংশস্তুপ পেরিয়ে 
কাঁচা মেঘের প্রথম বৃষ্টি 
আমাকে বাঁচিয়ে রাখে.
নতুন ঘাসের গন্ধ, গঙ্গার ঘোলাটে জল 
সূর্যের সান্ধ ডুব,
আমাকে বাঁচিয়ে রাখে. 

অনিশ্চিয়তা আমাকে কুঁড়ে কুঁড়ে খায়ে,
আমার প্রতিটি দিন যেন সহস্র বছর,
তভুও আমি প্রতিদিন ঘুম থেকে উঠি,
এক মুঠো টাটকা স্বপ্ন নিয়ে. 
টেলিফোনের রিংটোন, 
এক অচেনা ই-মেল,
দৈনন্দিন সাংসারিক ঝগড়া,
মাছের বাজারে দরাদরি,
আমাকে বাঁচিয়ে রাখে. 

অনিশ্চিয়তা আমাকে কুঁড়ে কুঁড়ে খায়ে,
কালকের চিন্তা, আমাকে আমার আজ-কে কেড়ে নেয়.
ডাকিনি যোগিনী আমার রাতের ঘুম,
তভুও আমি ঘুম থেকে উঠি,
কুয়াশা কাটিয়ে সুর্যোদয়ের প্রত্যাশা নিয়ে.
কফি হাউজের নির্ভেজাল আড্ডা,
নন্দন-এর রেলিঙে বসে সিনেমার কচকচানি,
রবীন্দ্র সদনের গানের জলসা 
আমাকে বাঁচিয়ে রাখে. 
শীতের বনা উল, পুজোয় মানুষের ঢল,
শালপাতায় ফুচকা, চিড়িয়াখানার পিকনিক 
আমাকে বাঁচিয়ে রাখে. 


প্রতাশার দিন, অপেক্ষার রাত 
ঘন মেঘের মত আমার বুকের ভিতর 
অন্ধকার করে আশা, যেন এক মোমের প্রদীপ 
মাস মাইনের জীবন যাপন, 
মেকি কথা, মেকি আশা, মেকি ভালবাসা 
মেকি তোমার চোখের ভাষা.
দোয়েলের ডাক, ভোরের আলো,
ফেরিওলার হাঁক, রিকশার টুঙ-টাঙ্গ
নতুন বইয়ের গন্ধ, বই মেলার ধুলো 
আমাকে বাঁচিয়ে রাখে!


অনর্গল টানাপড়েনের পর, 
হার মেনেছে অনিশ্চিয়তা, আমার কাছে! 
এক ফালি খুশি আজ আমাকে বাঁচিয়ে রাখে. 
ছাদের হুলোটা, মাঠের কাকতারুয়া,
খুড়ির চা, জগাদার তেলেভাজা,
আরসালান-এর বিরিয়ানি, ফ্লুরিস-এর কেক, 
ভাইচুন এর ফুটবল, পাড়ার নাটক 
উত্তম-সুচিত্রার প্রেম, রুদ্রাপ্রাসাদের রুদ্ধশ্বাস,
ময়দানের মিছিল, ভিক্টরিয়ার পরী,
মমতার ভাষণ, পরিবর্তেনের হাওয়া 
আমাকে বাঁচিয়ে রাখে!

Wednesday, September 7, 2011

Pankh - Hindi poem

पंख

सपनों के पंख लगाये 
बादलों को चीर 
बेहेकति नदी की तरह 
मेरी आकांक्षाएं आज उड़ रही है
सपनों के पंख लगाये,
ढूंड रही है, खुद को,
लाखों बदालों के बीच.

खुशियाँ झिलमिलाती हुई 
झर्ना की तेज़ धार जैसी 
दिल को भिगोये, उड़ रही है.
नीले आस्मां को चीर,
मेरी आकांक्षाएं आज उड़ रही है,
बुलंदी के बुलंद दरवाज़े को दस्तक 
देती हुई मेरी आकांक्षाएं, आज उड़ रही है. 

सूरज की तपती किरणों से तेज़
पर्वत के चट्टानों को चीर,
संपर्क के बेड़ियों को चीर, 
गरजती बदालों में, पंख लगाये
मेरी आकांक्षाएं आज उड़ रही है,
ना कोई रोख, ना कोई बंधन. 
सपनों की रंगोली सजाये,
किसी कवी की कविता की तरह,
किसी लेखक की सोंच की तरह, 
मेरी आकांक्षाएं आज उड़ रही है,
सपनों के पंख लगाये. 

मन जो आज स्वतंत्र है
मन जो आज स्वच्छ है,
हवा में थिरकती पतंग की डोर जैसे 
उडती हुई, पंख लगाये, तूफानों से तेज़
मेरी आकांक्षाएं आज उड़ रही है,
छूना चाहती है, आत्मविष्वास की नीव को,
मेरी आकांक्षाएं आज उड़ रही है. 
सपनों को चीर, रस्मो को चीर,
उड़ रही है.

- राम कमल मुख़र्जी 

Tuesday, September 6, 2011

Eid - It's not just about Briyani and Firni!


I love festivals. I love India. Well, we all do. But, have you ever thought the reason why we all love festivals? Most of Indians would say, "It's a holiday!" 
True. 
I remember, last year, we had off on Eid-ul-Fitr. But this year we are working. This year, while travelling, from my home to office, I was just wondering that why do certain private sector refuse to recognize Eid as one of the major festival of India? In fact, there are various other festivals, which gets ignored by private sectors. 
Opinions vary. Some feel that by giving holiday on festivals like Eid, the production will suffer. Some feel, that being a Hindu state, why recognize Eid as a major festival? Some even keep it as "optional" holidays for Muslim employees. But, aren't we secular? I am confused with this new definition of secularism in our country.   If private sectors can include Christmas as official holiday, then why mark Eid as "optional" holiday?
As a journalist, I used to never get any of these public holidays. Times of India, like any other dailies had only five holidays in a year. Republic Day, Holi, Independence Day, Diwali and Gandhi Jayanti. So, personally speaking, working on public holidays have never been my issue. 
I think, holidays in Mumbai are the days to rest. People long for such midweek breaks, so that they can sum up more energy and work harder for survival. The journey of 'aam janta' in this city is traumatic. They beat the crowd, beat the traffic, beat the heat, beat the beggars, beat the political rallies, beat the recession, beat all sorts of odds, and finally reach office. Work hard, (not all days though) and then retire for the day. 
These public holidays are like bonus for people who work hard throughout the year, We must respect their emotions. 
Keeping aside the emotional side of the story, logically, we must give Eid-ul-Fitr as the status of compulsory holiday, because in our country we have sizable population of Muslims, and they are very much part of our culture and heritage. Mughals have ruled us for years, gave us culture, cuisine, music, art, gems and literature. Like the way, we have incorporated British culture and it's language, we must also take the positive aspects from the Mughals. I think, every religion has it's positive and negative aspect. You need to be rational enough to judge the best. 
Eid, reminds me of my early days of journalism. I started my career as a full time journalist with The Asian Age, Kolkata. Farah Choudhury, who used to head the features department, was probably the first Muslim personality, with whom I had proper interaction on religion. My knowledge about Muslims were restricted to Ghazaals, Briyani and Firni. 
But after interacting with Farah, my idea changed. In high school, my first Muslim friend was Parvez Imam. He officially introduced me to Holy Quran. I read the English version of the Holy Book. I remember, that he asked me to wash my feet and hand, (wazoo) and then sat on a carpet, placed the book on a wooden stand and then read the book. He wanted me to know that facts about Allah and the fictions which actually distorts the piousness of the book.
After High School, he decided to move back to Christchurch (NZ) and we remained as "pen friends" for years. Later on, I guess, we both became busy and lost the connect. I searched him on various social networking sites, tried to get his number through common friends. But all in vain. It's been almost ten years that we have lost touch. But, I am sure, the day we meet, we will be able to connect. His family was so humble, educated and caring. In our letters we used to share our thoughts about Hindu and Islam religion. The good and the bad, the fun and ugly. He would share his reservations, I would speak my mind.
Later, I came across various other friends, colleagues and actors who are Muslims. They have shown me the brighter side of this religion. It's true that some of them do practice violence, terrorism and anti-national activities, but then, you cannot categorize them. Like Muslim fanatics, we do have Hindu counterpart too. It's people, who makes the difference. Hatred is a state of mind, and certainly not the mind of any State.
Respect, is the core word for any religion. I have learnt that from Parvez, Farah and even my driver Amjad.
R.

Monday, August 29, 2011

Hindi Poem - Namkeen Khwab

नमकीन ख्वाब 


संजीदा का निकाह हो गया. 
खुशियों से रुक्सत हुई 
एक नयी ज़िन्दगी की तलाश में.
मेहँदी की ताज़ी खुशबू 
हवा में घुलती जाती,
सपनो की पालकी में सवार,
दूर किसी अनजान शेहेर में
गाँव से दूर, 
पीपल की छाओं से दूर 
अम्मी की प्यार से परे
भाई के शरारतों से दूर!
एक बहोत बड़ी शेहेर में, 
बस, ट्रेन और तूफानों से तेज़ गाडिओं के बीच, 
बम्बई आ पौछी, संजीदा.
लोगों के भीर में, 
आपने ख्वाबों को ढूँढती,
एक लड़की. 


शरमाई सी, नयी कदम
नया जीवन की तलाश,
किसी पराये घर को, आपना बनाने का ख्वाब!
खुली आस्मां, खुली साँसे
बंध दरवाज़े के बीच
छोटे छोटे स्वप्नों की मोमबत्ती
सजाई.

एक ख्वाब, एक सपना,
दिल में छुपाइये. 
"मुझे समुन्दर देखना है," 
संजीदा ने आपनी शौहर को कहा, 
यह थी उसकी पहेली इल्तजा  
"पहेले तुम माँ बन जाओ, फिर हम सब मिलके चलेंगे,"
दुल्हे का दिया हुआ वादा, झूठा वादा. 
वादा पुरे नहीं हुए, 
घर की उम्बर्था को लांघे हुए
बर्षों बीत गए. संजीदा की अरमान,
बिखरे परे है, उन फर्शों पर 
पिघलते हुए,
उस रात की तरह 
अपने अरमानों की, मोमबत्ती की
सेंज की तरह! 
फीके होते गए, ख्वाबों के रंग,
ठीक उसके हाथों की मेहँदी की तरह. 


काम तो आज भी वही है
नल से पानी भरना,
सुबह श्याम नमाज़ पड़ना,
शौहर के लिए नाश्ता बनाना,
सास, ससुर, देवर का ख्याल रखना, 
बच्चों को सम्हालना.
गाँव की वो लड़की,
आज भी आपने सपनो को तलाश रही है!
शेहेर के खुली सोच से दूर, किसी शेहेर की गल्ली में.
घर तोह उससे मिल गया था,
चार दीवारों के बीच,
चार खिड़की, चार-पाई
और एक उम्बर्था.
लांघने की ताक़त
आज भी नहीं जुटा पाई!


बुरखे में, वोह लड़की जो आज
आप के नज़रों के सामने से गुज़र जाती,
सप्नों को आपने सिने में दबाये,
चार बच्चों की अम्मी,
संजीदा! आज भी आपनी ख़ुशीयों को
खोज रही है,
समुन्दर की घेराई, बिखेरती हुई लहरें,
सरख्ती हुई रेतियों की तस्वीर,
आज भी उसे देखना है.
घासलेट की कतार में,
बर्तन के ढेर में,
चूले की फूक में,
सब्जी की छौक में,
भूली नहीं वोह अपनी ख्वाबों को.


आज, बारिश के पानी को, 
बाल्टी में जमा करके रखती है, संजीदा.
सब की नज़रों से छुपाके,
आपने पैरों पे, भरी हुई बाल्टी
को उलट देती है.
महसूस करती है
समुन्दर की लहरें, पानी की नमकीन छीटें!
दिल को चीर, संसार की डोर को चीर
चल पड़ी, तेज़, बहुत तेज़,
जहाँ कोई झूठे वादे नहीं है,
जहाँ कर्त्तव्य की बेरी नहीं है,
जहाँ संसार की पावंदी नहीं है,
जहाँ सिर्फ समुन्दर की सौन्दी खुशबू,
आखों को भिगोती है!
जहाँ सिर्फ खुला आस्मां,
चीखती हुई कहती है,
ख्वाबों की उड़ान. 
संजीदा, आज भी जी लेती है,
सपनों में ही सही, 
उम्बर्था लांघने की
हिम्मत जुटा लेती है!


- राम कमल मुख़र्जी 


- Please pardon my grammatical errors. I am sure there are some. It's the thought, that I am trying to share, with whatever little Hindi I know.
Thanks.






Thursday, August 25, 2011

Bengali poem - Klanti

ক্লান্তি 


ক্লান্ত আমার চোখের পাতা 
হাজার বছরের ঘুম,
তোমার স্নিগ্ধ কোল, ঠিক যেন 
গাছের পাতার ছায়া,
ঝরে পড়া কুড়ির বিছানা. 
ঘুম ভাঙবার খেলা. 
নকশাল বাড়ি, সিঙ্গুর, মাওবাদীর 
গোলাবারুদ, অসমাপ্ত প্রেমের যবনিকা!

অস্বস্তি, আমার চোখের পাতায় 
স্বপ্ন গুলি এলোমেলো, 
চড়িয়ে ছিটিয়ে রাখা, কোন এক তাসের দেশ!
এক গ্রাম ঘুম, এক চিলতে সুখ. 
ক্লান্ত আমার পায়ের পাতা,
ঠাই দাও, নিজের ছায়ার আড়ালে!
বন্ধুকবাজ, গুলিবিদ্ধ আমার অসহায় ঘুম!

ভালবাসা নয়, আজ তুমি নাটোরের বনলতা 
অন্য কবির, এঠো প্রেম.
পরিবর্তনের খোলসে, ঝলসানো মুখোশ. 
সাদা পোশাকের পুলিশ, আমার রক্তের রং লাল,
তোমার? সবুজ! 
ঠান্ডা, শীতল, ভাবলেশহীন. 
কালনাগিনী তোমার প্রতিশ্রুতি 
লখিন্দরের শুকনো লাশের,
গন্ধ! তোমার গায়ের মধ্যে.
মরণ ঘুম, আজ আমার চোখের কনে 
বারুদের তোষকে মোড়া, 
বিছানা! 

ঘাসের উপর আজ আমি আর শুই না. 
কাঁটার মত, তীক্ষ্ণ 
সবুজ ঘাস. 
রক্ত মাখানো আমার ঘুম 
খোলা বাতাসের তলায়,
ক্লান্তি আমার চোখের পাতায় 
শহস্র পতাকায় মোড়া,
আমার স্বপ্নের লাশ! 


Wednesday, August 24, 2011

Being Hero


Nothing is permanent. Everything that you see now, will perish tomorrow. Every moment, is dying, every other moment. We are constantly chasing ourselves. The fight, which apparently seems to be external, is actually internal. Every one of us, are constantly fighting to upgrade our own standard, standard of life, love, work or even living. We are unhappy by nature.
It's no harm, it's no fault. Excelling in your own capacity is the best way to nurture your human hormones. I have seen, many people, across the nation, trying to grab their share of limelight. Everyone wants to be famous. Each seconds of fame, matters in today's time. Media happily, plays to the gallery.
Remember Raj Kapoor's dialogue from Mera Naam Joker. "The show must go on!" But I think, he couldn't foresee what people would do, just to get their share of fame, in today's time.
Have you ever noticed those faces on TV screen? Even during Anna Hazaare coverage, I can clearly see those faces who are waving their hands, smiling at the camera, doing weird faces - just to grab one second of footage. They don't even know how to speak, what to speak and where to speak. But all of them are fighting to get hold of the boom which the television reporter is holding.
Most of the time, you will find them either smiling or chatting away happily standing in the crowd. It could be veteran actor Shammi Kapoor death procession or Anna Hazaare's hunger strike, the same kind of unknown faceless faces are seen always on TV screen. Some even wear weird clothes, have weird hair-dos, to seek attention from the camera.
They have understood, that once you are seen on camera, you become famous. Cheap stunts, are the best way to grab attention of people. The tenure of 'celebrityhood' is becoming lesser by the day. People are so used to surfing channels, that they want to find new heroes. If Sonia Gandhi's secretive operation becomes that talk of the town on Friday, then Sunday channels got engaged with Shammi Kapoor's death. By the beginning of the week, they have Anna Hazaare to take care of the rest.
We don't realize that "one minute fame" is not the easy way to become famous. I call them, " BFF- by fluke famous"! If you want to be remembered, just do one honest deed in your whole life. Just try and make difference to any one person, who doesn't matter to you. Hero doesn't mean, millions of followers. Hero means someone who is worshiped by someone somewhere.
Flashbulbs, magazine covers, interviews, hoardings, money, endorsements... these are the parameters which might judge the level of popularity of a celebrity, but when you are honest towards what you are doing, such things become inconsequential. Mother Teresa never thought of becoming an international figure, she dedicated her life for people. Florence Nightingale could have been chosen to be famous, but she didn't. Swami Vivekanada or Ramakrishna Paramhansa could have thrived on publicity, but they didnt. People remember them for what they have done for humankind.
If you are making money, bagging awards for your deeds, you will be cheered by your fans. But they will stop worshiping you, the moment they get someone better or bigger that you. But, if you are serving people, directly, then those many people will hero worship you.
In that case, you preserve every moment of your good deed. Nothing is perishable. You are remembered for what you have done. You are remembered for changing people's life. I feel, that everyone can become famous, but only one in a million can win the heart.
Love the dialogue from Jodha Akbar, where Jodha tell Emperor Akbar (who was definitely much famous than any living or dead celebrities of our time) that, "Jahapana, aap ne shiasat pe raj karna seekha hai, dilon pe raj karna nahin!" (You have learnt the art of ruling the nation, not the heart!) That changed war loving Akbar to humane Akbar.
We all need to see that in ourselves. We all need to do, just one good deed. Honestly. I truly belive that everyone of us, have the capability to become heroes. Let's not make fool of ourselves, or just fool ourselves with such silly BFF moments.
R.


Tuesday, August 23, 2011

Bengali poem - Tanaporen

টানাপড়েন 

সত্য তুমি আজ আমার হাথের নাগালে 
ভ্রম, তোমার এই অহংকার 
নিত্য দ্বন্ধ, তোমার আমার, 
প্রতিদিন, প্রতি মুহূর্ত. 
সত্য তুমি কি সত্তি?
নাকি রাংতায় মোড়া 
এক দুরন্ত মিথ্যা?
চিনতে তোমাকে ভুল করিনি আমি 
অন্তর্নিহিত, আমার নিশ্বাসে প্রশ্বাসে 
শৃঙ্খলবদ্ধ, তোমার চতুরতায় 
ছুটে পালাতে চাই আমি,
নিজের থেকে নিজেকে লুকিয়ে, 
ঝাচক্চকে মিথ্যের আড়ালে 
পালাতে চাই! 
কেন পারিনা তোমাকে এড়াতে 
চুম্বকের মত তোমার, মায়াজাল 
তোমাকে হারিয়ে ফেলতে চাই,
সব সময়ের জন্য.
রেখে গেলাম আমার নতুন ঠিকানা 
দেখা হবে জানি,
মিথ্যের চৌরাস্তায় 
তোমার অপেক্ষায়, আমি
থাকব দাড়িয়ে!



Hindi Poem - Pal



पल 


पल जो मेरे साथ है
हर समय 
एक नयी चेतावनी 
एक नया दस्तक 
दे जाती है.
याद दिलाती है, हमेशा 
अंत होने की टोक 
समापन की ध्वनि, 
भयभीत जीवन की
सुचना!

एक प्रश्न, एक सत्य, 
जो मुझे अनंतकाल से 
दुविधा में झंझोर के रखा है,
जो पल, मैंने खोया 
जो सांसे मैंने गवाएं 
हिसाब में मंगू  किस से?
सफ़ेद पन्हो पे,
एक नयी रंग की,
अपेक्षा. 
एक नयी भाषा की,
परिभाषा. 

खर्च कर दिए मैंने,
जमी हुई पलों की पूंजी. 
मेहेत्वाकंषा की नीव 
हल्का महसूस कर रहा हूँ, आज.
दबना नहीं चाहता हूँ 
अपने सपनों के बोझ तले.
दम घुटा है मेरा,
पलों के हिसाब से,
मुक्ति!
अंतहीन, एक यात्रा, 
एक नयी रास्ता.

समापन उस पल का,
आज होने दो, 
हर दिन एक नयी नीव
एक नया सवेरा 
एक नया पल. 
होने दो, होने दो!


 - रामकमल मुख़र्जी 



Sunday, August 21, 2011

Faith is God

Good morning!

Today is Janmastami. This day reminds me of many such incidents of life. The day, reminds me of my Ma, who used to prepare special delicacies and do her puja. She would take me, along with her to Shyamsundar mandir, closer to our house. She would decorate the "palna" with Bal Gopal. Would buy those fancy dresses for Krishna. It was almost like a ritual. Much celebrated one. Some how, Krishna has been my companion since childhood. My dad, bought me the first Krishna idol, which is still there in my Kolkata house. Later, I got various gifts from people, in forms of pendent, idols, portraits and calenders. During my school days, a dear friend of mine Animesh Barik gifted me yet another idol of Krishna, made from plaster of Paris. It's still with me, in my native town. My connection with Krishna has been eternal. I believe He is around. For me, for all of us.

When I landed in Mumbai almost ten years ago, I didn't carry any image of Krishna. Somehow, it didn't happen. But, strangely, a very dear friend of mine Shashank Samant (used to work with me in Stardust magazine) gifted me a small idol of Krishna. There was no occasion, he just felt like gifting me one. He had picked it up from Siddhivinayak Temple. Since then, that idol has been a part of my temple.

Much later, on one of my birthday, my driver gifted me the idol of Bal Gopal and Radha Krishna. Incidentally, he happens to me a Muslim. I was so touched with the gesture. They got place in my puja room. Few years later when I got married, one of my closest pal - Anupam Pratihary, who is almost like a family now, gifted me and my wife Sarbani a lovely idol of Radha and Krishna. The idol looks pristine, made of rose wood, it's one of the finest idols I have seen in recent times. He took special interest in finding the perfect idol for the newly wed couple.

Just a year ago, my mother-in-law went to Darjeeling, and on her way back, she picked up a lovely idol of Krishna, made of teak wood. Even that one has made its place in my room. One of my wife's cousin sister, also gifted us Bal Gopal, That's made of plastic, which has become a showpiece in my Kolkata house.

One of the idol of Krishna which I loved the most was at B M Birla Heart Research Institute, in Kolkata. Saw it for the first time, when I admitted my father for bypass surgery, almost a decade ago. The life size idol would remind me of Krishna from Vrindavan and Iskcon temples. Each time, I prayed, my prayer was heard. Barring once, the last time, two years ago, when I lost my dad. I just hated the same idol, for taking away my Baba. But, slowly, I came to terms that He wanted to relief Baba from the pain he was going through. As humans, we don't like to accept the truth. We treat God like humans. We bathe them, dress them, feed them,  celebrate their birthdays, we love them, we talk with them, we sing for them, we cry, laugh, smile and even fight with them. The reason, why we get offended, upset and hurt when we are dejected. When our prayers go unheard.

Krishna, is there. Amongst all of us. He is guiding, everyone. He is taking test. He knows you the best, so he puts you through tests, which you will be able to overcome. Post, my dad's death, I went through real tough time. Personally and professionally, it was the toughest time. I thought, for a moment, I won't be worshiping any deity. I was loosing faith in any sort of supreme power. But, each time, I would decide to drift from Krishna, He would follow me. He would chase me, would make me realize my mistakes. I have realized that He is no magician. He is a healer. His smile is infectious. He will be with you, even when you don't need him.
We fall in love with god, we fall out of love. But, then he never leaves you alone. Even when you abandon Him, accuse Him, doubt His presence, He still cares for you. He is the 'dasa' of every 'bhakt'. He is the 'atma' and considers His 'bhakt' as param (supreme). Final unison of Krshna and his Bhakt, forms the eternal combination of 'Paramatma'.

Have faith, that's all you can offer Him, while He can offer you everything under the sky!

"Krishnaye Vasudevae Govindai Namah!" 



Friday, August 19, 2011

Poem - Kanchenjunga

কাঞ্চনজান্ঘা 


কথা দিয়েছিলাম. তোমাকে. 
অঙ্গীকারবদ্ধ ছিলাম, তোমার কাছে 
গ্রীষ্মকালে কান্চন্জন্ঘা দেখব,
বরফ ভেজা রাস্তা দিয়ে, পা টিপে টিপে,
আমাদের অলিখিত চুক্তি. 
তোমাকে একখানি শোএটার কিনে দিয়েছিলাম
গড়িয়াহাট এর মোড় থেকে. 
নরম, ঠিক তোমার গালের মত. 
দুগ্গা পুজোর ঠিক পরে, 
মিনি বাস চেপে, তুমি ঘুমিয়ে পরেছিলে 
আমার কাঁধে মাথা রেখে, 
ঝাকুনি তোমাকে উঠিয়ে দিল.

কত বছর কেটে গেছে, 
ট্রেন চেপে আমাদের রওনা 
বাকি রয়ে গেল. 
সেই বার খোকার জর হলো,
তোলপার জীবন, ওষুধ, ডাক্তার.
জমানো টাকা সেই সব, 
খরচার কত রুপ. কুত্ছিত খরচা.
তারপর, কত বার, 
চেষ্টা, বৃথা প্রচেষ্টা. 
চাল, ডাল, বাড়ি ভাড়া, 
সংসার ধর্ম, রোজকার রোজগার!
নিঃশব্দ তোমার আকুতি, 
অসীম তোমার ধৈর্য 
কান্চনজন্গার মত প্রশান্ত 
প্রতিবাদহীন, জীবন. 


তোমার চশমাটা, আমার খাটের পাশে 
খোকা রেখে গেল
বলল, ওরা ফেরত দিয়েছে, 
আমি মুছে রাখলাম, 
বালিশের গায়ে এখনো 
তোমার গায়ের গন্ধ.
ইস্ত্রী করা তোমার তাঁতের সাড়ী,
আলনার ধরে, রেখে গেছো, 
গায়ের গন্ধ মেশানো স্মৃতি. 


ডায়রি টা, টেবিলের কনে, 
২৩ শে বৈশাখ, টিকিটের গায়ে তারিক 
ঝাপসা হয়ে গেছে,
আরও ঝাপসা,
ঘোলাটে স্মৃতি গুলো টাটকা হয়ে উঠলো,
তোমার শরীরটা, আজ 
কান্চন্জন্ঘার মত শীতল,
উষ্ণতা ফেলে গেলে, 
বিছানার এক পাশ, শুন্য 
আমার নতুন সঙ্গী 
একাকিত্ব. 


খোকারা এবার শিমলা যাবে, 
অফ্ফিস থেকে ছুটি নিয়েছে, 
ফিরে এসেছে তোমার 'কাজ' 
কান্সেল করতে পারবে না, অনেক টাকার ব্যাপার 
আমিই বললাম, 
ঘুরে আয়ে, কথা দিয়েছিস যখন. 


তোমার ডাইরি তে রাখা ছিল
টিকিটটা. আজ দেখলাম, 
শেষ মুহুর্তে কাটা টিকিট,
তরিঘরি, সুটকেসে তোমার চাদর 
দুরবিন, ক্যামেরা, ওষুধ 
তুমি একটা ফ্লাস্ক কিনেছিলে,
টাইগার হীল দেখতে দেখতে,
গরম চা, চুমুক. 


ওয়েটিং লিস্ট এ আমাদের নাম. 
তুমি কান্সেল করনি? 
আমি জানতাম না,
হয়ত ওয়েটিং লিস্ট থেকে
নামটা নির্ধারিত সিট পেয়েছিল. 
হয়ত অন্য কেউ গিয়েছিল সেই দিন. 
সূর্যোদয় দেখেছিল  
বরফ ভেজা রাস্তা দিয়ে, স্মৃতিগুলো হেঁটে চলেছে 
থেমে নেই কিছুই, 
ঘড়ি, নিশ্বাস, স্বপ্ন.
থেমে থাকেনা কিছুই
টিকিট থেকে আজ তোমার নাম টা
কেটে দিলাম,
এখন টিকিটের গায়ে লেখা,
আমার নাম, 
ওয়েটিং লিস্ট -এ!

Poem - Anandadhara

আনন্দধারা 


আনন্দ, আমি তোমাকে খুঁজেছি কতবার 
বালিশের তলায়, লুকিয়ে রাখা চোখের জলে 
নীল আকাশের আড়ালে,
মেঘের ঠিক পেছন খিরকি থেকে,
চিত্কার করে ডেকেছি,
আনন্দ, তোমাকে খুজেছি বারবার 
কথা দিয়েছিলে তুমি, 
সারা দেবে!
সাদা খাতা গুলো, নতুন
মলাটে মোরা স্বপ্নের আঁকিবুকি 
জলে ভেজা কাগগের নৌকা, 
জলে ভেসে যায়, অনাথ শব্দ গুলি. 
আনন্দ, তোমাকে লেখা আমার চিঠি 
ভাসিয়ে দিলাম, 
শব্দ গুলি জলস্রোতে আঁছরে পড়বে,
তোমার বুকের ওপর, 
আশা করি, পড়বে তুমি
তোমার অলিখিত চুক্তি 
আমার মুক্তির পন,
আসবে তুমি, আমার হাতের নাগালে. 




Thursday, August 18, 2011

Janmastami - Tal'er Bora

Tal'er bora kheye Nando nachite lagilo...

This is the song, rather folklore, with which we associate Janmastami (Birthday of Lord Krishna) in Bengal. Remember, my grandmother (Thakurma) would sit for hours and grate Tal (popularly known as Todd palm or Tala palm in English. It's known as Pannei in Tamil.). The above mentioned line means, the foster father of Lord Krishna Nandlal started dancing after eating the sweet balls made of Todd palm juice.
Hailing from a traditional Bengali family from North Calcutta (now Kolkata), the festival of Janmastami would be grand. My mother, who happens to be the youngest 'bahu' (daughter-in-law) of the house, was trained under the guidance of my grandmother, to make these special 'boras' (deep fried balls) on the occasion on Krishna's birthday. I am very sure, that this had nothing to do with mythology or any kind of tradition, related to Hindu mythology. This must have been one of those local 'fakirs' or 'baul' singers who created a couplet on the occasion.
But the flavor of Tal'er Bora was beyond any rituals. One had to wait for this season and time, just to enjoy this special delicacy. In my early childhood days, I've always hankered for a Tal'er Bora.
Of whatever I remember, as a kid, the procedure of making this special sweet meat was not that easy. Extraction of the tal sap is quiet a cumbersome and lengthy process. However, if you manage to somehow achieve that, then the rest is easy. My grandmother could manage to inculcate these culture because my mother was a housewife (which is also a 24 hour job!) We were joint family, and we all used to stay under the same roof. So, every festival used to be grand.
The pulp is smoothly battered with semolina (suji), sugar, grated coconut, flour (maida). Mix all these ingredients with the pulp, once the mixture thickens just boil sunflower oil or ghee in a deep frying pan. Then take a teaspoon full of batter and pour it in hot oil. The small balls will be ready in five minutes.
This used to be a day long procedure, because of the quantity. Finally, in the evening, ladies in our family would decorate the idol of Bal Gopal (Baby Krishna). They would use ornaments, flowers and other finery to give it a grand look.
It's been almost a decade, that I have not been to Kolkata during Janmastami. My grandmother passed away, two years back, by dad also passed away. Now, my mom stays in Kolkata. She doesn't have the physcial strength to take such arudous task up on her sleeves. I am married and settled in Mumbai. My wife is a working woman, and even she doesn't have the time or interest in taking this tradition ahead. This year, in all probability, she will be travelling to Pune on the day of Janmastami for some event. Life in a metro (like Mumbai) is so different from a comparatively slow city like Kolkata.
Do I miss Tal'er Bora? Oh yes. I do.
Do I expect my wife to make it for me? No. Of course not.
Can I make it? No. I don't have the time.
I guess, we all have come to terms. Cultural doesn't really matter to us anymore. We would rather find someone who would be able to make it for us. In a worse case, we would ask some one from Kolkata to bring it for us.
Little things, in life, which used to matter a lot, have lost its priority. Everything changes, even your taste buds.
R.

Poem - Bhokatta!

কাঁচ ভাঙ্গা কাপ, 
বৃষ্টি ভেজা রাস্তা, 
আলতো রোদের তাপ, 
নিসঙ্গতা, আমাকে ডাকে 
অবকাশ খুঁজি, নিত্য নতুন 
তোমার সাথে, কিছু অনুভূতি, আবদার! 
ঘাসের ওপর, তোমার শিশির ভেজা তালু 
কালকের অসমাপ্ত নিশ্শাস 
বাতাসের আদ্রতা মেশানো, তোমার হাঁসি 
অবিকল সব কিছু, আজ 
স্বপ্ন যেন ঠেলে তুলে দিল আমাকে, 
কোন কথাটা বলছিলে যেন তুমি? 
ঘুড়ির শব্দের মত 
সেইদিন শুনিনি আমি, আজ
বলতে গিয়ে বলা হলো না. 
সম্পর্কের ভোকাট্টা! 
আজ, অন্য ছাদের কনে,
নতুন ঘুড়ির শব্দ! 


Wednesday, August 17, 2011

Waking up, literally!


Waking up, has always been a struggle.
The first ray of sunlight, irks me the most. I hunt for my rug, try to cover my face. Darkness is so beautiful, its so soothing. Unfinished dreams, which we all want to finish. We run away from the sun, from daylight, because night shows us the magic of life, the surreal world of dreams and imaginations.
I was never a morning person, but I was forced to me one. Morning school, was one of the biggest compulsion, for me to wake up early. My dad used to be an early riser. Most days, I would wake up with the gurgling sound of my father from the bathroom. He would water the plants, do his pujas, step out to buy fresh milk and bread everyday morning. Meanwhile, I would take a bath and get ready for school. Ma would make my tiffin, comb my hair (till standard three) and then tie my shoe-lace (till standard three, again) and check my bag, reshuffle the books according to the routine and set me off. Dad would drive me to school. At times, we would take a ride on a tram. Running behind the tram and getting onto the tram was such a thrilling experience, which I shared with my dad.
Mornings, have always been interesting. But somehow, we all dread to see morning. Mornings would remind me of my school, class rooms, strict teacher, boring PT teacher. I just wanted those many mornings to disappear. As a kid, I used to pray, saying why can't we have only summer and winter vacations in school, throughout the year? Weird, but that's true.
As a kid we used to love our vacations, as college students we used to love our weekend off, as professional we used to long for those extended weekend holidays. The idea of not doing the regular stuff has always excited all of us.
But then, we all have to go through the same routine life. We can't just skip the moments we dislike. Life is not a choice, its a mandatory routine of activities. fact remains that, unless we deal with our "mornings" we won't be able to enjoy our "nights".
Did you ever think, why we love nights? We are we so attached to our bed, pillows and rugs. Why do we like a particular corner of the sofa? Why do we wear the same old semi torn tee-shirts at home? I guess, it's a matter of comfort.
Blame the quilt, blame the bed, blame everything that makes you comfortable. We even blame the alarm clock for always ringing on time. We blame the "doodhwala" for pressing the door bell twice. (Some even keep a bucket outside their door, so that the milkman doesn't ring the bell!) We all love to sleep. That's the best way, to see dreams.
But, the fact remains that to enjoy that dream, those many hours of peaceful sleep, we have to work hard. Morning shows us the way. The light that breaks your comfort, is the only way to fulfill your dreams in reality. The warmth that oozes from your quilt, will take you to the world of imagination. But the warmth of morning rays will virtually help you in achieving the goals.
The struggle that begins from our bed, needs to end. Coming out of comfort zone, is a challenge. If every morning we can fight that out, then we can surely fight any battle of life.
It might sound simple, but being simple is not that simple.
R.





Photo Gallery

Photo Gallery